বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

গাজায় এমন আক্রমণ করা হবে যা আগে কেউ কখনও দেখেনি: ইসরায়েল

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ হুমকি দিয়েছেন যে হামাসের হাতে জিম্মি ইসরায়েলিদের মুক্তি না দেওয়া হলে গাজা উপত্যকায় এক ভয়াবহ আক্রমণ চালানো হবে। তিনি সতর্ক করেও বলেছেন যে গাজার উপর এমন এক ভয়াবহ আক্রমণ চালানো হবে যা “এর আগে কেউ কখনও দেখেনি”।

গাজার নেতজারিম করিডোরের কিছু অংশ পুনরুদ্ধারের পর কাটজ এই হুমকি দেন। বুধবার (১৯ মার্চ) ইসরায়েলি প্রশাসন উত্তর ও দক্ষিণ গাজাকে বিভক্তকারী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সেনা মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে যে হামাস ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি না দেওয়া এবং গাজার নিয়ন্ত্রণ ত্যাগ না করা পর্যন্ত গাজার উপর হামলার তীব্রতা বাড়তে থাকবে।

নেটজারিম করিডোরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর বুধবার এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানিয়েছে যে জানুয়ারিতে যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ কার্যকর হওয়ার পর ইসরায়েলি সেনাদের এলাকা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখন, সেখানে আবার সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ভোরবেলায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নতুন করে আক্রমণ শুরু করে। হামাস শাসিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে এতে নারী ও শিশুসহ ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর ফলে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে গেছে।

দীর্ঘ ১৫ মাস ধরে চলা সংঘাতের পর, গাজার বাসিন্দারা আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। মানবিক সাহায্য আসতে শুরু করেছে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দীসহ কয়েকশ ফিলিস্তিনিকে ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

তবে মঙ্গলবারের হামলায় সমস্ত আশা নিভে গেছে। ইতিমধ্যে, বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন যে নেটজারিম করিডোরের দখল দুই পক্ষকে আবারও সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। যদিও মঙ্গলবারের ইসরায়েলি বিমান হামলার পর হামাসের পক্ষ থেকে কোনও পাল্টা আক্রমণের খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সেহরির সময় নতুন করে আগ্রাসন শুরু করে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এতে নারী-শিশুসহ চার শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হন বলে জানিয়েছে হামাসশাসিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এতে করে ভেঙে পড়েছে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি।

দীর্ঘ ১৫ মাসের সংঘাত শেষে একটু আশার আলো দেখতে শুরু করেছিলেন গাজার বাসিন্দারা। মানবিক সাহায্য আসতে শুরু করেছিল, ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন কয়েকশত ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিও ছিলেন।

তবে মঙ্গলবারের হামলায় আশার সব আলো নিভে গেছে। এরই মধ্যে নেতজারিম করিডরের দখল দুইপক্ষকে ফের সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও মঙ্গলবারের ইসরায়েলি বিমান হামলার পর এখন পর্যন্ত হামাসের কোনো পাল্টা হামলার খবর পাওয়া যায়নি।

সূত্র: এপি, ইউএনবি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page

প্রযুক্তি সহায়তায় রায়তাহোস্ট