মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

ইসরায়েলের অব্যাহত গণহত্যায় বাংলাদেশের নিন্দা

ফিলিস্তিনি জনগণের সহিংসতা ও দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে কূটনীতি ও সংলাপের পথে নিজেদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করার জন্য বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানিয়েছে
ফিলিস্তিনি জনগণের সহিংসতা ও দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে কূটনীতি ও সংলাপের পথে নিজেদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করার জন্য বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানিয়েছে

বাংলাদেশ সরকার গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর অব্যাহত গণহত্যা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সোমবার (৭ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পর থেকে ইসরায়েলি সামরিক হামলায় অনেক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এর ফলে গাজায় মানবিক সাহায্য পৌঁছানো বন্ধ হয়ে গেছে, যা বাসিন্দাদের মানবিক বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে। ইসরায়েল স্পষ্টতই বারবার আন্তর্জাতিক আবেদন উপেক্ষা করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বৃদ্ধি করেছে।

নিরস্ত্র ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জাতিগত নির্মূল অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যে গাজার ঘনবসতিপূর্ণ বেসামরিক এলাকায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর নির্বিচার বিমান হামলা ও বোমাবর্ষণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সরকার ইসরায়েলকে অবিলম্বে সকল সামরিক অভিযান বন্ধ করতে, সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করতে এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে তার বাধ্যবাধকতা পূরণের আহ্বান জানাচ্ছে।

গাজায় ১৫ ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্যকর্মীকে হত্যা করেছে ইসরায়েল

ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘের কাছে আবেদন জানাচ্ছে যে তারা নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন করে এবং অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বেসামরিক নাগরিকদের জীবন রক্ষা এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব পালন করুক।

ফিলিস্তিনি জনগণের সব ন্যায্য অধিকার, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমানা অনুসারে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি বাংলাদেশ সরকার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে, যার রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশ সরকার মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির জন্য আলোচনার প্ল্যাটফর্মে ফিরে আসার প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করে, যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফিলিস্তিনি জনগণের সহিংসতা ও দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে কূটনীতি ও সংলাপের পথে নিজেদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করার জন্য বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানিয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘের প্রস্তাব এবং শান্তি, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের জন্য ফিলিস্তিনিদের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের দিকে কাজ করার জন্য বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page

প্রযুক্তি সহায়তায় রায়তাহোস্ট