বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

বির্তকিত প্রকৌশলী মঞ্জুর আলী, অবসরে গিয়েও ছড়ি ঘোড়াচ্ছেন এলজিইডি ভবনে

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘যাও গিয়ে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করো, ভাইবাতে ডাকলে কি চাকরী হয়’ এমন দম্ভোক্তি করে রুম থেকে বের করে দেন সে সময়ের প্রকল্প পরিচালক মঞ্জুর আলী। আবেদনকারী কার্যসহকারী পদে একটি চাকরীর জন্য দিনের পর দিন ধর্না দিয়েছেন এই দফতরে। মনে কষ্ট আর অপমান নিয়ে ছলছল চোখে মাথা নিচু করে বেড়িয়ে যান তিনি। কোন কুলকিনারা করতে না পেরে ছুটে যান প্রধান প্রকৌশলীর কাছে। কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নিয়ে নয়, একটু সদয় হতে অনুনয় করেন। চাকরিটা তার দরকার। আশ্বস্ত করেন প্রধান প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন। তবে শেষ পর্যন্ত কোন সুরাহা আর হয়নি।

এলজিইডির রিজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (আরইউটিডিপি)-এর প্রকল্পের পরিচালক আত্মহত্যা প্ররোচনা দেয়ায় দেশের প্রচলিত আইনে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তিনি চাকুরী প্রত্যাশীদের সাথে যে দুর্ব্যবহার করে গেছেন তা দফতরে ঘৃনীত হয়ে থেকে গেছে। আরইউটিডিপি এর প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. মঞ্জুর আলী নানান কারণে বির্তকিত ছিলেন । গত ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অবসরে গেছেন। তবে অবসরে গেলেও আজ রোববার রীতিমত অফিস করছেন এই প্রকৌশলী এমনটি জানা গেছে।

শুরু থেকেই বির্তক

নীতিমালা বলছে, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস পর্যন্ত চাকরির মেয়াদ না থাকলে, তাদেরকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে না। অথচ আরইউটিডিপি প্রকল্পে মো. মঞ্জুর আলীর চাকরি ছয় মাস থাকার সময়ে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। বিষয়টি বড় ধরনের অনিয়ম হলেও প্রকল্প পরিচালকের বয়সসীমা লুকিয়ে মঞ্জুর আলীকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করে সংশ্লিষ্ট কমিটি।

প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘রিজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটরিয়াল ডেভেলপমেন্ট’ নামে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এলজিআরডি। যার সিংহভাগ ঋণ নেয়া হচ্ছে বিশ্বব্যাংক থেকে (ঋণ ৪ হাজার ২৬০ কোটি টাকা)। দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে আধুনিক সুযোগসুবিধাসহ পরিকল্পিত নগরায়নের ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে এই প্রকল্পটা শুরুই হয়েছে অনিয়মের মাধ্যমে। দেয়া হয় নীতিমালা ভঙ্গ করে পিডি নিয়োগ।

https://www.youtube.com/@newsvisionlive/shorts

 

সাবেক সচিব আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস পর্যন্ত যেসব কর্মকর্তার চাকরির বয়স থাকবে না, তাদেরকে উন্নয়ন প্রকল্পে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া সরকারের জন্য এবং রাষ্ট্রের জন্য বুদ্ধিমত্তার কাজ হয়নি। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নিয়ম লঙ্ঘন করে এই নিয়োগের সাথে যারা জড়িত এবং যারা অনুমোদন দিয়েছেন তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা দরকার।

প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস পর্যন্ত যেসব কর্মকর্তার চাকরির বয়স থাকবে না, তাদেরকে উন্নয়ন প্রকল্পে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে না। পরিকল্পনা কমিশনের এমন নীতিমালাকে পাত্তাই দেয়নি স্থানীয় সরকার বিভাগ। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরও যাকে অনিয়মের বড় উদাহরণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশাল অংকের লেনদেনের মাধ্যমে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ করা হয় বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

 

 

 

 

(নিচে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের নীতিমালা এবং যাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তার জন্মতারিখের প্রমানাদি উপস্থাপন করা হয়েছে।)

রাজনৈতিক পরিচয়

একজন সরকারী চাকুরে হলেও সব সময় রাজনৈতিক ভাবে সোচ্চার ব্যাক্তি এই প্রকৌশলী। একটি রাজনৈতিক মতাদর্শের হওয়ার কারণে সব সময় ব্যক্তি স্বার্থে সেই পরিচয় নগ্ন ভাবে ব্যবহার করেছেন। অবসরে যাওয়ার আগ দিন অবধি সারাক্ষন এলজিইডিতে কর্মরত প্রকৌশলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়ে প্রকাশ্য এবং গোপন মিটিংয়ে থাকতেন তৎপর। বেগম জিয়ার পরিবারের একজনের সাথে ঘনিষ্ট সর্ম্পকের প্রকাশ ঘটিয়ে চলতো তার দুবৃত্তায়ন। তবে এ থেকে সেই রাজনৈতিক দলটির কোন অর্জন ছিলো না, যা ছিলো সবটুকু ব্যক্তি মঞ্জুর আলীর।

https://www.facebook.com/newsvision.live.37

 

উদ্দেশ্য , অর্থে র বিনিময়ে জনবল নিয়োগ

প্রকল্পে এই প্রকৌশলীর সময়কালে প্রধান কাজ ছিলো আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে জনবল নিয়োগ দিয়ে টাকা গুছানো এবং যার কারণে তিনি প্রথম থেকেই নানান ভাবে দৃষ্টি নিবন্ধ করে গেছেন জনবল নিয়োগের দিকে। মঞ্জুর আলীর বিরুদ্ধে আউটসোর্সিংয়ে লোক নিয়োগের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ প্রথম থেকেই। জানা গেছে, আরইউটিডিপি প্রকল্পটিতে যে জনবল আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তার প্রতিটি পদের বিপরিতে শত শত চাকরি প্রত্যাশীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ২ থেকে ৫ লাখ টাকা করে নিয়েছেন।

ভোলা জেলার সবুজ নামের একজন সহকারী প্রকৌশলী হিসাবে চাকরি প্রত্যাশী, তিনি জানান চাকরির জন্য তিনি আরইউটিডিপি প্রকল্পে আবেদন করেছেন। এরই মধ্যে এক দালালের সাথে তাঁর পরিচয় হয়, যিনি তাঁকে প্রকল্প পরিচালকের ভাই রাজুর কাছে নিয়ে যান এবং পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর পিডি’র ভাই পরিচয়ে তাঁর কাছে চাকরি দেয়ার নামে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। সবুজ প্রায় এক মাস আগে তাঁকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন, কিন্তু চাকরি এখনো কনফার্ম হয়নি। এর মধ্যে শুনছেন, পিডি অক্টোবরের ৯ তারিখে অবসরে যাবেন। মঞ্জুর আলী অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির লোক বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

নিয়োগ বাতিলের দাবী

এলজিইডির রিজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (আরইউটিডিপি)-এর প্রকল্পের সকল নিয়োগ বাতিলের দাবী উঠেছে। চাকরীবঞ্চিরা নিরপেক্ষভাবে পূনরায় প্রকল্পে সকল পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলছেন। তারা বলছেন, যে কারণে এই প্রকল্পের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বির্তক সে কারণে সবগুলো বাতিল করা হোক, সচ্ছতা আসুক।

পিডি নিয়োগে মঞ্জুর আলীর বাণিজ্য

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক ৩০টি প্রকল্পের নতুন প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগ বাণিজ্যের খবর একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। প্রকল্প ভেদে ৩০ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা নিয়ে পিডি নিয়োগের পায়তারা করার অভিযোগ উঠে প্রকৌশলী মো: মঞ্জুর আলীর বিুদ্ধে। এবং এ কাজে সাবেক আরো দু’জন প্রকৌশলী জড়িত ছিলেন বলে জানা যায়।

সূত্রমতে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিকল্পনা-১ শাখার উপসচিব মো. নুরে আলম স্বাক্ষরিত একটি পত্রে এলজিইডির বিভিন্ন নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করার জন্য এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীকে অনুরোধ জানান। এই চিঠি আসার পর শুরু হয় এই সিন্ডিকেটের দৌড়াঝাঁপ শুরু করে।

https://www.instagram.com/newsvisiononline

সে সময় অভিযোগ উঠে, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো: মঞ্জুর আলী বলে যে যত বেশী টাকা দিবে সে তত বড় প্রকল্পের পিডির দায়িত্ব পাবে। সিন্ডিকেট প্রকল্পের জন্য প্রস্তাবিত পিডি হিসাবে একটি তালিকা তৈরী করে তৎকালীণ প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে জমা দিয়ে সেটা মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করার জন্য তাকে নানা প্রকার চাপ প্রয়োগ করে । এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলজিইডির কয়েকজন প্রকৌশলী বলেন, পিডি বানিজ্যের কারনে আগে সৎ এবং মেধাবী প্রকৌশলী প্রকল্প পরিচালক হতে পারত না, আমাদের ধারনা ছিল এবার বৈষম্য বিরোধী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থাকার কারনে বোধহয় এ অবস্থা দুর হবে, কিন্তু মঞ্জুর আলী যা শুরু করেছে তাতে এবারও সৎ এবং মেধাবী প্রকৌশলীদের প্রকল্প পরিচালক হওয়ার স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে যাবে।

বিশ্বব্যংকের অর্থায়নের ২৭০০ কোটি টাকা ব্যায়ের মিউনিসিপ্যাল গভার্ননেন্স এন্ড সার্ভিসেস প্রকল্পের ডিপিডি ছিলেন মো: মঞ্জুর আলী । সূত্র আরো জানায়, পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশনের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজে প্রাক্কলন অনুমোদন, দরপত্র অনুমোদন এবং অর্থ ছাড়ের মাধ্যমে শতকরা ৩-৪ ভাগ টাকা নিতেন বলে জানা গেছে। এছাড়া কনসালটেন্ট ফার্ম নিয়োগের মাধ্যমেও অনৈকিভাবে কোটি কোটি টাকা গ্রহন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়ম-দুর্নীতি করে তিনি ইতোমধ্যে শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন।

@newsvision.live

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা জানান, সরকার পতনের পরের দিনই স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির জন্য বরাদ্ধকৃত টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো ভি ৮ গাড়ী নং ঢাকা মেট্রো ঘ-১৩-৬১১৪ এবং মঞ্জুর আলী স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীর জন্য বরাদ্ধকৃত টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো ভি ৮ গাড়ী নং ঢাকা মেট্রো ঘ-১৩- ৬৩১০ দখল করে নেয়। মঞ্জুর আলীর সহকারি প্রকৌশলী স্ত্রীর জন্য অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীদের জন্য বরাদ্ধকৃত পাজেরো স্পোর্টস গাড়ী ঢাকা মেট্রো ঘ-১৫-১০৮৪ এবং উপ-সহকারি প্রকৌশলী ছোট ভাই মো. রাজুর জন্য প্রকল্প পরিচালকদের জন্য বরাদ্ধকৃত জীপ গাড়ী দখল করে নেয়।

সার্চ ইঞ্জিন গুগল কি বলছে ?

ইন্টারনেটের বিশাল তথ্যভাণ্ডার সার্চ ইঞ্জিন গুগলের কাছে জানতে চাইলে আরও বেশি তথ্য পাওয়ার সুযোগ আছে। ‘এলজিইডির প্রকৌশলী মঞ্জুর আলীর দূনীর্তি’ লিখে সার্চ দিলে বেশ কিছু অনিয়ম, দূনীর্তির তথ্য সহজেই হাতে চলে আসবে। এবং সেসব থেকে ঘাটলে দেখা যাবে একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার পরও রয়ে গেছেন বহাল তবিয়তে। সেফ এক্সিট দিয়ে চলে গেছেন অবসরে।

দুদকের নথিতে মঞ্জুর আলী

গত ১০ এপ্রিল দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে জারিকৃত এক পত্রে জানানো হয়েছে, এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধান টিমের নেতৃত্ব দেন দুদকের উপপরিচালক আজিজুল হক। সদস্য হিসেবে রয়েছেন উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু এবং মো. মিজানুর রহমান।

https://www.threads.com/@newsvisiononline

 

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আক্তার হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মঞ্জুর আলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রউফ। অভিযোগ অনুসারে, এসব কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন।

দুদক সূত্র জানায়, অনুসন্ধান কার্যক্রম সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার স্বার্থে এলজিইডি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার নিকট থেকে ১৩টি পয়েন্টে বিশদ রেকর্ডপত্র ও নথিপত্র চাওয়া হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে—২৫৭ জন কর্মকর্তার পিএসসি থেকে নিয়োগ, রাজস্ব খাতে স্থানান্তর, পদোন্নতির গ্রেডেশন তালিকা, প্রজ্ঞাপন, গোপনীয় প্রতিবেদন এবং নিয়োগ-পদোন্নতির সময়কার প্রধান প্রকৌশলীদের আদেশপত্রের কপি। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট চার কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথিও চাওয়া হয়েছে। সব নথি আগামী ২৮ এপ্রিলের মধ্যে বিশেষ বাহকের মাধ্যমে দুদকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

https://www.linkedin.com/in/news-vision-0b430420b

 

বিশ্লেষকরা বলছেন, এলজিইডি দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্থা হলেও, বারবার এ সংস্থার ভেতরে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠে এসেছে। এবার দুদকের এই কার্যক্রম যদি নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হয়, তবে বহুদিনের গোপন দুর্নীতির চিত্র প্রকাশ্যে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নিরপেক্ষ তদন্তের আহবান

টেন্ডারের মাধ্যমে জনবল নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ( আউটসোসিং) সকল পদের বিপরিতে দক্ষ জনবল নিয়োগ দেয়ার বিধান থাকলেও প্রকল্প পরিচালকের দাপটের কাছে সকলে ছিলো অসহায়। মঞ্জুর আলীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উথ্থাপিত হলেও এখনো পর্যন্ত এলজিইডি দাপ্তরিক ভাবে কোন তদন্ত কমিটি গঠন করেনি। এমনকি তাকে রক্ষা করতে কাজ করছে। প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কোন প্রক্রিয়ায় জনবল নিয়োগ দিয়েছেন সেটার পরিস্কার তদন্ত দরকার। সেই সাথে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানানো হয়।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page

প্রযুক্তি সহায়তায় রায়তাহোস্ট