শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

হাতপাখায় ভোট দিলে মুক্তি মিলবে: চরমোনাই পীর

চরমোনাই পীর
চরমোনাই পীর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, বিএনপি কিংবা জামায়াত কেউই ইসলামকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিতে চায় না। একমাত্র ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশই ইসলামকে ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তাই হাতপাখা মার্কায় ভোট দিলে দুনিয়াতে শান্তি এবং আখিরাতে মুক্তি মিলবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গত পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে একই শাসনের পুনরাবৃত্তি দেখেছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ পায়নি। গত ৫৪ বছরে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তারা দুর্নীতিতে পাঁচবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে। দেশের উন্নয়নে তারা ব্যর্থ হয়েছে। আবার তাদেরকে ভোট দিলে একইভাবে দুর্নীতি ও লুটপাট চলবে। দেশের জন্য নতুন করে উন্নয়নের গল্প নয়, দরকার সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব।

আজ সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড সংলগ্ন মারকাযুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা চত্বরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগর আংশিক) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শায়খ নেছার আহমদ আন-নাছিরীর সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জনসভায় উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মুফতি হেদায়েতুল্লাহ আজাদী, মুফতি মোস্তাকুন্নবী, মুফতি তৌহিদুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের প্রার্থী মাওলানা গাজী নিয়াজুল করীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের প্রার্থী মাওলানা জসিম উদ্দিন এবং মুফতি রেজাউল ইসলাম আবরারসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট ভাঙার প্রসঙ্গে চরমোনাই পীর বলেন, আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ইসলামপন্থিদের নিয়ে ‘এক বাক্স নীতি’র ভিত্তিতে পাঁচ দল গঠিত হয়েছিল। এটি পরে ১১ দলে রূপ নেয়। ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে জামায়াতে ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে সরে যাওয়ায় মতবিরোধ তৈরি হয়। ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’ এই নীতিতে অবিচল না থাকায় জামায়াতের প্রতি আমাদের আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে। তাই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে ২৬৮টি আসনে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঘোষিত ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার হলো রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বস্তরে শরিয়াহর প্রাধান্য নিশ্চিত করা। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে উল্লেখিত সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page

প্রযুক্তি সহায়তায় রায়তাহোস্ট