জীবনযাপন ডেস্ক
নিজের স্বভাবের মধ্যে কিছু বিষয় লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন, আপনার আসলে আত্মসম্মানবোধ কম। চলুন জেনে মিলিয়ে নেওয়া যাক-
১. ক্ষমা চাওয়া
বারবার অন্যের মন রক্ষার জন্য তার কাছে ক্ষমা চাওয়ার অভ্যাস আপনার আত্মসম্মানবোধের অভাবই তুলে ধরে। ক্ষমা চাওয়া অবশ্যই ভালো গুণ। কিন্তু অপরাধ না করেও ক্ষমা চাওয়ার অর্থ হলো আপনি মানসিকভাবে দুর্বল এবং নিজেকে সম্মান করেন না। যদি কারও ক্ষতি করে না থাকেন তাহলে ক্ষমা চাইবেন না। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের অবস্থানে অটল থাকুন।
২. অন্যকে খুশি করা
মানুষের মন রক্ষার জন্য সব সময় লেগে থাকা, এমনকি ক্লান্ত থাকলেও তাদের সব অনুরোধে হ্যাঁ বলার অভ্যাস? এর মাধ্যমে আপনি অন্যদের শেখাচ্ছেন যে আপনার কোনো নিজস্বতা নেই। যদি নিজেকে ভালোবাসেন তবে আপনার সীমাবদ্ধতাও মানুষকে বুঝতে দিন। সবার মন রক্ষা করার আপনার প্রয়োজন নেই।
৩. অসম্মান সহ্য করা
প্রাপ্তবয়স্কদের আত্মসম্মান এবং মানসিক নিয়ন্ত্রণের ওপর শৈশবের নির্যাতনের প্রভাব শীর্ষক ২০২১ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে অপমানজনক আচরণ সহ্য করলে তা পরবর্তীতে নিজের প্রতি নেতিবাচকতা বাড়িয়ে দেয়। সেইসঙ্গে এটি মানসিক সমস্যা বাড়িয়ে তোলে। তাই আপনার সঙ্গে কেউ অসম্মানজনক আচরণ করলে তাকে সতর্ক করে দিন।
৪. নেতিবাচক কথা বলা
নিজেকে ক্রমাগত বোকা বা ব্যর্থ বলবেন না। এতে আপনার নিজেরই ক্ষতি হয়। নিজেকে ভালোবাসুন। যতটুকু যোগ্যতা আছে তা কাজে লাগান। কোনো ভুল করে ফেললে নিজেকে ক্ষমা করুন এবং ইতিবাচক চিন্তা করুন। নিজেই নিজের সবচেয়ে ভালো বন্ধু হয়ে যান।
৫. অন্যের প্রশংসা চাওয়া
সব সময় অন্যের প্রশংসা বা স্বীকৃতির জন্য মুখিয়ে থাকেন? এতে প্রমাণ হয় যে আপনার ভেতরে আস্থার অভাব রয়েছে। জার্নাল অফ পার্সোনালিটিতে কন্টিনজেন্ট সেলফ-এস্টিম অ্যান্ড লাইফ স্যাটিসফ্যাকশন: দ্য মেডিয়েটিং রোল অফ অথেনটিসিটি শীর্ষক ২০১৮ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, সব সময় অন্যের কাছে প্রশংসা বা স্বীকৃতি চাওয়ার স্বভাব মানসিক অস্থিরতা তৈরি করে, যা সত্যতা হ্রাসের মাধ্যমে সামগ্রিক সুস্থতা হ্রাস করে।