প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ২য় স্ত্রী দাবি করা কি জামায়াতের ফতোয়ায় ইসলামিক

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। এরপর ওই ভিডিওতে থাকা তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন জামায়াতের এ নেতা। তবে, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ওই তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করা বিরোধীদলের (জামায়াতের) ফতোয় অনুযায়ী ইসলামিক কি না- এমন প্রশ্ন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এমন প্রশ্ন করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘ভিডিও ধারণ হওয়ার সময় ২য় স্ত্রী হিসেবে দাবি না করে, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ২য় স্ত্রী হিসেবে দাবি করা নিশ্চয়ই বিরোধীদলের ফতুয়া (ফতোয়া) মোতাবেক ইসলামিক? এই এমপিকে কি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে ইমপিচমেন্ট করার জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করবেন, নাকি তাকে দায়মুক্তি দেওয়ার জন্য শীঘ্রই ষড়যন্ত্র দাবি করে বিবৃতি দিবেন?’
তিনি আরও লেখেন, ‘সবকিছুর জন্য আমাদের, আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে... নিশ্চয়ই দলের গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত শরিয়া আইনের ভিত্তিতেই মাননীয় এমপি মহোদয়ের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা! মাননীয় রাহাবারের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখুন।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে নতুন করে সামনে এসেছে মরিয়ম খাতুন নামের এক তরুণীর বায়োডাটা। জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন, ভাইরাল ভিডিওতে থাকা নারী তার বৈধ দ্বিতীয় স্ত্রী। একই দাবি করেছেন তার প্রথম স্ত্রী, ওই নারী এবং নারীর বাবাও।
