মাদ্রাসাছাত্রকে রড দিয়ে পিটিয়ে নির্যাতন, শিক্ষক আটক

পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পীরপুর এলাকার একটি আবাসিক হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে চুরির অপবাদ দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
আহত শিক্ষার্থী বর্তমানে পাবনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে এক প্রেস নোটের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাবনা জেলা পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাবনা সদর উপজেলার পীরপুর জামিয়াতুস সুন্নাহ আবাসিক হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মো. সোহানুর রহমান সোহান (২৫) একই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্র মো. মাহফুজুর রহমানকে (১৩) মিথ্যা চুরির অপবাদ দেন। এরপর গত ২০ জুলাই রাত থেকে ২১ জুলাই সকাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে শিশুটিকে দফায় দফায় বেত ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম করেন। নির্যাতনের পর শিশুটিকে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী মাহফুজুর দিনাজপুর জেলার কোতোয়ালী থানার নতুনপাড়া এলাকার সাগর হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ২১ জুলাই সন্ধ্যায় অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আটকে রেখে গণপিটুনি দেয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পাবনা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষককে হেফাজতে নেয় এবং আহত শিশুকে চিকিৎসার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
পাবনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ কারণে অভিযুক্তকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








