সারাদেশ
অস্ত্রের আস্তানায় র্যাবের হানা, আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৫

- রাজবাড়ী সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ পাঁচ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১০। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ট্রিগার কাটার রাইফেল, একটি একনলা বন্দুক ও তিনটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করা হয়েছে।
- সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে ফরিদপুর র্যাব-১০, সিপিসি-৩ ক্যাম্প অফিসে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ফরিদপুর র্যাব-১০, সিপিসি-৩ কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফারহান মাহমুদ মোক্তাদা (এডি)।
- প্রেস ব্রিফিংয়ে র্যাব-১০ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, অপহরণ, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
- র্যাব জানায়, র্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে রামকান্তপুর ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকার ব্যবসায়ী আলম সরকার ও মো. বাহাদুর বিশ্বাসের কথিত বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রগুলোর সঙ্গে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
- গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- রাজবাড়ী সদর উপজেলার কেশবপুর এলাকার মৃত জব্বার সরদারের ছেলে আলম সরদার (৪০), একই এলাকার মো. ছান আলীর ছেলে মো. ইব্রাহিম শেখ (৪৪), কেশবপুর এলাকার মৃত তহিদুল ইসলামের ছেলে মো. বাহাদুর বিশ্বাস (৫৮), রাজবাড়ী সদর উপজেলার মধ্যপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল বাতেনের ছেলে মো. ফয়সাল চৌধুরী প্রকাশ ফরিদ (৩৭) এবং মানিকট এলাকার মৃত আবেদ আলী মুন্সীর ছেলে রাজু আহমেদ টোকন (৪৫)।
- প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে মো. ফয়সাল চৌধুরী প্রকাশ ফরিদের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় অস্ত্র ও চাঁদাবাজির দুটি মামলা রয়েছে। এছাড়া রাজু আহমেদ টোকনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদাবাজির একটি মামলা, ডাকাতির প্রস্তুতির একটি মামলা এবং ডাকাতির একটি মামলাসহ মোট তিনটি মামলা রয়েছে।
- র্যাব-১০ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে উদ্ধার করা অস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি ট্রিগার কাটার রাইফেল, একটি একনলা বন্দুক এবং তিনটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গান রয়েছে। এসব অস্ত্র অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
- র্যাব জানায়, তাদের নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা তৎপরতা, দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও পেশাদারিত্বের একটি উদাহরণ হলো এ অভিযান। অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্রের উৎস ও ব্যবহারকারীদের শনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।








