নাহিদের আগুনে স্পেলে ১৭১ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

টস জিতে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েও শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। পাওয়ার প্লেতে দাপট দেখান ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানি।
প্রথম ছয় ওভারেই ৫৪ রান তুলে নেয় সফরকারীরা। তাসকিন আহমেদ, নাসুম আহমেদ ও শেখ মেহেদী হাসান কেউই শুরুতে রান আটকাতে পারেননি।
পাওয়ার প্লেতে ৫৪ রান এবং শেষ ওভারে ১৮ রান বেরিয়ে না গেলে বাংলাদেশের লক্ষ্যটা ১৭১ রান হতো না।
বুধবার (১৫ জুলাই) বুলাওয়েতে ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই প্রথম ধাক্কা দেন নাহিদ রানা।
শর্ট বলে মারুমানিকে (১৪) ফিরিয়ে ৩৭ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তিনি। এরপরও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যান ব্রায়ান বেনেট।
ডিওন মায়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন তিনি।
নবম ওভারে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন মায়ার্সকে (২০) ফিরিয়ে জুটি ভাঙলেও বেনেট ও সিকান্দার রাজা দ্রুত রান তুলতে থাকেন। ৩০ বলে ৪৪ রান করা বেনেটকে অবশ্য ১১তম ওভারে ফেরান নাহিদ। এরপর ১৩ বলে ২০ রান করা রাজাকেও সাজঘরে ফেরান সাইফউদ্দিন।
এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন নাহিদ রানা। নিজের শেষ ওভারে পরপর দুই বলে মিল্টন শুম্বা (১১) ও তাশিঙ্গা মুসেকিয়াকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়েকে বড় ধাক্কা দেন তিনি। হ্যাটট্রিক না হলেও এক ওভারে দুই উইকেট তুলে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ফেরান এই গতিতারকা।
শেষ দিকে রায়ান বার্ল কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও বাংলাদেশ আর জিম্বাবুয়েকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেয়নি। নাহিদ শেষ ওভারে ১৮ রান দিলে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৭০ রান।
চার ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং করেন নাহিদ রানা। এছাড়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নেন ২ উইকেট।
